মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

মাটিরাঙ্গা উপজেলার পটভূমি

 

মাটিরাঙ্গা উপজেলা (খাগড়াছড়ি জেলা)  আয়তন: ৪৯৫.৪০ বর্গ কিমি। অবস্থান: ২২°৫৭´ থেকে ২৩°২৪´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯১°৪৫´ থেকে ৯১°৫৯´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ। সীমানা: উত্তর ও পশ্চিমে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য, দক্ষিণে রামগড় উপজেলা, পূর্বে পানছড়ি, খাগড়াছড়ি সদর ও মহালছড়ি উপজেলা।

জনসংখ্যা  ১২৬৪৭৭; পুরুষ ৬৩৬৯৫, মহিলা ৬২৭৮২। মুসলিম ৮৪০২৬, হিন্দু ২৮৯২৬, বৌদ্ধ ১২৭২১, খ্রিস্টান ৪৬৫ এবং অন্যান্য ২৬৯। এ উপজেলায় ত্রিপুরা, চাকমা, মারমা প্রভৃতি আদিবাসী জনগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে।

 

জলাশয় গোমতি, পিলাক ও ফেনী নদী এবং ধলিয়া খাল উল্লেখযোগ্য।

প্রশাসন মাটিরাঙ্গা থানাকে উপজেলায় রূপান্তর করা হয় ১৯৮৩ সালে।

উপজেলা                                                                                                        মাটিরাঙ্গা
পৌরসভাইউনিয়নমৌজাগ্রামজনসংখ্যাঘনত্ব(প্রতি বর্গ কিমি)শিক্ষার হার (%)
শহরগ্রামশহরগ্রাম
০১০৮২৮৪১৯৮৩০৬৯৮০১৬২৫৬৭৫%৪৪.২%
উপজেলা শহর
আয়তন (বর্গ কিমি)মৌজালোকসংখ্যাঘনত্ব (প্রতি বর্গ কিমি)শিক্ষার হার (%)
১৪৮.৬২৪ টি৩৬০৪৯৩২০৭৫৭.৮৩
ইউনিয়ন
ইউনিয়নের নাম ও জিও কোডআয়তন (বর্গ কি: মি:)লোকসংখ্যাশিক্ষার হার (%)
পুরুষমহিলা
গুইমারা ৩৫৮২.৫৫৭৬১৮৭৩২১৩৮.২৭
গোমতি ৪৭৪৯.২১৬১৪৭৬১৬৯৩৫.২৪
তবলছড়ি ৭৬৩১.০৮৯০৭২৯২৭২৩৫.৪৯
তাইনডং ৮৩৪৪.০৩৬৯৫৯৬৯৭৬৩৭.৬৯
বড়নালা ১১৩৮.৮৫৪৯৪১৪৬৪৫৪১.৬১
বেলছড়ি ২৩৪৬.৬২৬৩৮৮৬৫৯৪৩৯.৬৯

মাটিরাঙ্গা ৫৯

 

আমতলী

১৪৮.৬২

 

৫৪.৩৯

১৮৪১৫

 

৪১৫৫

১৭৬৩৪

 

৪১৭১

৫৭.৮৩

 

৪১.৯০

 

সূত্র আদমশুমারি রিপোর্ট ২০১১, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।

 

প্রাচীন নিদর্শনাদি ও প্রত্নসম্পদ আলুটিলা চৈত্য বৌদ্ধ বিহার, ভগবান টিলা, শতবর্ষী বটগাছ, আলুটিলা রিছাং ঝরনা, আলুটিলা সুরঙ্গ।

 

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান  মসজিদ ১৬২, বৈীদ্ধ মন্দির ৩৫, প্যাগোডা ৭৮, তীর্থস্থান ১ (মাতাই পুখিরি)। উল্লেখযোগ্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান: মাটিরাঙ্গা জামে মসজিদ, তৈলাফাং শিব মন্দির, গুমতি শিব মন্দির।

শিক্ষার হার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড় হার ৪৪.২%; পুরুষ ৬৭.১%, মহিলা ৩৮%। কলেজ ২, মাধ্যমিক বিদ্যালয় , প্রাথমিক বিদ্যালয় ৯৫, কমিউনিটি স্কুল ১২, বয়স্ক শিক্ষা কেন্দ্র ৪, মাদ্রাসা ৬। উল্লেখযোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান: মাটিরাঙ্গা ডিগ্রি কলেজ (১৯৯২), মাটিরাঙ্গা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, মাটিরাঙ্গা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, তবলছড়ি টি.কে উচ্চ বিদ্যালয় (১৯৫২), তবলছড়ি কদমতলি হাইস্কুল (১৯৫৯), মাটিরাঙ্গা কারিগরি ইনস্টিটিউট, তাইন্দং ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসা (১৯৮২)।

 

মাটিরাঙ্গা উপজেলা

 

পত্র-পত্রিকা ও সাময়িকী সাপ্তাহিক: পার্বত্য বাণী।

সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান লাইব্রেরি ১, মহিলা সংগঠন ৪, খেলার মাঠ ২০, ক্লাব ১০।

জনগোষ্ঠীর আয়ের প্রধান উৎস কৃষি ৬০.৫%, অকৃষি শ্রমিক ৯.৭৯%, শিল্প ০.৪৬%, ব্যবসা ১১৯.৬%, পরিবহণ ও যোগাযোগ ১.৫৩%, চাকরি ১০.৪৯%, নির্মাণ ১.৫৬%, ধর্মীয় সেবা ১.২৮%, রেন্ট অ্যান্ড রেমিটেন্স ০.৫% এবং অন্যান্য ১০.২৯%।

কৃষিভূমির মালিকানা  ভূমি মালিক ৫৫.৯২%, ভূমিহীন ৪৫.০৮%। শহরে ২৬.৭৯% এবং গ্রামে ৩৭.৬৮% পরিবারের কৃষিজমি রয়েছে।

প্রধান কৃষি ফসল ধান, রাবার, আখ, আলু, ভূট্টা, তুলা, অড়হর, শাকসবজি।

বিলুপ্ত বা বিলুপ্তপ্রায় ফসলাদি পাট, কাউন, সরিষা, তিল, মানকচু।

প্রধান ফল-ফলাদিব কাঁঠাল, কলা, আম, জাম, লিচু, পেঁপে, লেবু, আনারস, কুল, আতা, পেয়ারা, কামরাঙা, বেল, বাতাবি লেবু।

মৎস্য, গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির খামার মৎস্য ৭৬, হাঁস-মুরগি ৪০, হ্যাচারি ১।

বিলুপ্ত বা বিলুপ্তপ্রায় সনাতন বাহন গরুর গাড়ি।

শিল্প ও কলকারখানা স’মিল, আটাকল, প্লাইউড ফ্যাক্টরি, ব্রিকফিল্ড।

কুটিরশিল্প মৃৎশিল্প, সূচিশিল্প, তাঁতশিল্প, বাঁশের কাজ, বেতের কাজ, কাঠের কাজ।

হাটবাজার ও মেলা মাটিরাঙ্গা হাট, গুইমারা হাট, তবলছড়ি হাট, বেলছড়ি হাট, গুমতি হাট, তাইনডং হাট ও ক্যাজরী চৌধুরীর মেলা উল্লেখযোগ্য।

প্রধান রপ্তানিদ্রব্য   কাঠ, ধান, তুলা, কলা, পেঁপে।

বিদ্যুৎ ব্যবহার এ উপজেলার সবক’টি ইউনিয়ন পল্লিবিদ্যুতায়ন কর্মসূচির আওতাধীন। তবে ২০.১৮% পরিবারের বিদ্যুৎ ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে।

পানীয়জলের উৎস নলকূপ ৬৭.৮%, ট্যাপ ১০.২৬%, পুকুর ৪.৬৬% এবং অন্যান্য ৩৮.২৮%।

স্যানিটেশন ব্যবস্থা এ উপজেলার ১৯.৮৬% (গ্রামে ১৫.৭১% এবং শহরে ৭৫.৭৯%) পরিবার স্বাস্থ্যকর এবং ৬৪.৮১% (গ্রামে ৬৮.০৩% এবং শহরে ২১.৩৬%) পরিবার অস্বাস্থ্যকর ল্যাট্রিন ব্যবহার করে। তবে ১০.৩৩% পরিবারের কোনো ল্যাট্রিন সুবিধা নেই।

স্বাস্থ্যকেন্দ্র উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১, পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র ৮, পল্লীস্বাস্থ্য কেন্দ্র ১, উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র ৩।

ব্যাংক-৪ টি, এনজিও ব্র্যাক-১২ টি

তথ্যসূত্র   আদমশুমারি রিপোর্ট ২০১১, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো;

ছবি


সংযুক্তি

matiranga upazila book.docx matiranga upazila book.docx